খুলনা, বাংলাদেশ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  কক্সবাজার স্টুডেন্ট ফোরাম, রাজশাহীর নতুন কমিটি অনুমোদন
  জালালাবাদে ক্ষুদে ফুটবলার নয়ন ঢাকা ফুটবল লীগে সুযোগ পেল

স্ত্রীর দাবিতে অনশনের পর মুখে পানি. লড়াই আপাতত স্থগিত, সোমবার বসবে সালিশ

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

পারিবারিক বিরোধের আগুনে পুড়ে টানা অনশনে বসেছিলেন খুলনা নগরীর মলি মল্লিক। খাওয়া নেই, ঘুম নেই। একটাই দাবি, সমাধান। অবশেষে প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে ভাঙলো সেই অনশন। গত শুক্রবার ২৬ জুন দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিট। দীর্ঘ সময় পর এক গ্লাস পানি মুখে তুলে নেন মলি। সাথে ছিল প্রশাসনের লিখিত আশ্বাস,সোমবার বসবে বৈঠক।তথ্য সুত্রে জানা গেছে, স্বামী ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস ও তার পরিবারের সঙ্গে বিরোধের জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নেন মলি। অভিযোগ, সংসার করতে চাইলেও স্বামীপক্ষ তাকে গ্রহণ করতে নারাজ। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে নগরীর রাস্তায় নেমে আসেন তিনি।পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে মাঠে নামে হরিণটানা থানা প্রশাসন। সাথে ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। দীর্ঘ আলোচনার পর দুই পক্ষকে মুখোমুখি বসানোর সিদ্ধান্ত হয়।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী সোমবার, বিকাল ৫টা-স্থান. হরিণটানা থানাধীন আ. হান্নান সড়ক, স্বামী ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাসের বাড়ির সামনে।সেখানেই সমাজের মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের কথা শোনা হবে। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা সরাসরি বলেন, মেয়েটি সংসার করতে আগ্রহী। কিন্তু স্বামী ও তার পরিবার তাকে নিয়ে সংসার করতে অনিচ্ছুক। যেহেতু আইনি জটিলতার চেয়ে সামাজিক সমাধান জরুরি, তাই এই উদ্যোগ। সমাজের প্রতিনিধিরা যে রায় দেবেন, দুই পক্ষকেই তা মানতে হবে।প্রশাসনের এই নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই অনশন ভাঙেন মলি মল্লিক। এরপর পরিবারের সাথে নিজ বাড়িতে ফিরে যান তিনি। স্থানীয়দের চোখ এখন সোমবারের সালিশ বৈঠকের দিকে। তাদের আশা, মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে দীর্ঘ দিনের এই পারিবারিক টানা পোড়েনের একটি গ্রহণযোগ্য ও মানবিক সমাধান মিলবে।মলির এই অনশন ভাঙা মানে লড়াই শেষ নয়। বরং লড়াইটা এখন টেবিলে, রাস্তায় নয়।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT